Thursday, 2 April 2015

Roza other than Ramjan month[bangla]

M Towfiqur Rahman
পবিত্র রমযান মাস শেষ হয়ে গেলেও সারা বছরই অন্য মাস সমূহে নির্দিস্ট কিছু তারিখে রোযা রাখার ফযিলত অনেক-যা নবীজী(সাঃ)নিজে আমল করতেন।
*************************************************
.
.
যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশদিনের রোযার ফযিলত
============================
১২৪৯। হযরত ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃরাসূলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা বলেছেনঃ এমন কোন দিন নেই যেদিনে কৃত নেক আমল এসব দিন অর্থাৎ যিলহজ্জের প্রথম দশদিনের নেক আমলের মত আল্লাহর কাছে সর্বাধিক প্রিয়।সাহাবা কিরাম (রাঃ)বললেন,ইয়া রাসূলুল্লাহ!আল্লাহর পথে(নেকী)আমলও কি নয়? তিনি বললেনঃনা,আল্লাহর পথে (নেক) আমলও নয়। তবে যে ব্যক্তি নিজের জান ও মাল দিয়ে আল্লাহর পথে বের হল এবং এর কোনটা নিয়েই আর ফিরে আসল না। (বুখারী)
আরাফা ও আশুরার দিন এবং মুহাররমের নবম তারিখে রোযা রাখার ফযিলত
============================================
১২৫০। হযরত কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামাকে আরাফাতের দিনের রোযা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। তিনি জবাব দিলেনঃ এতে বিগত বছরের আগামীর গুনাহ কাফফারা হয়ে যায়।(মুসলিম)
১২৫২। হযরত আবু কাতাদা (রাঃ)থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামাকে আশুরার দিনের রোযা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। তিনি বলেছিলেনঃ এতে বিগত দিনের কাফফারা হয়ে যায়।(মুসলিম)
শাওয়াল মাসে ৬ দিন রোযা রাখা মুস্তাহাব
========================
১২৫৪। হযরত আবু আইউব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃযে ব্যক্তি রমযানের রোযা রাখলো, তারপর এর পরপরই শাওয়ালের ৬ টি রোযা রাখলো সে যেন এক বছরে রোযা রাখলো । (মুসলিম)
প্রত্যেক মাসে ৩ দিন রোযা রাখা মুস্তাহাব
========================
১২৬০। হযরত আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক মাসে ৩ দিন রোযা রাখা মনে হচ্ছে সারা বছর রোযা রাখা। (এতে সারা বছর রোযা রাখার সওয়াব পাওয়া যায়) (বুখারী ও মুসলিম)
১২৫৬। হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ সোমবার ও বৃহস্পতিবার (মহান আল্লাহর সমীপে) আমল পেশ করা হয়। কাজেই আমি চাই আমার আমল যেন এমন অবস্থায় পেশ করা হয় যখন আমি রোযা রাখা অবস্থায় থাকি। (তিরমিযী)
১২৬২। হযরত কাতাদা ইবন মিলহান(রাঃ)থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে আইয়ামে বীজের রোযা রাখার হুকুম দিতেন। (আইয়ামে বীজের দিনগুলো হলোঃমাসের ১৩,১৪ ও ১৫ তারিখ) (আবু দাউদ)
আল্লাহ আমাদেরকে আমাদের সাধ্যমত এসব নফল রোযা রাখার তৌফিক দিন
(তথ্যসূত্রঃ রিয়াদুস সালেহীন,তৃতীয় খন্ড,পৃস্টা নং-১৩৪ হতে ১৩৭)
[সংকলিত/সৌজন্যেঃ আসমা বেগম

No comments:

Post a Comment